This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, August 17, 2016

ফোনের র‌্যাম


নতুন যত অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন আসছে, এতে উন্নত প্রসেসর ও গ্রাফিকসের পাশাপাশি বেশি র‌্যামের ব্যবহারও দেখা যাচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েডচালিত ফোনে বেশি র‌্যাম লাগে কেন? এ প্রশ্নটির বিভিন্ন ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা। কেউ কেউ বলেন, অ্যান্ড্রয়েডে মাল্টিটাস্কিং বা বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য র‌্যাম বেশি লাগে। তবে গেম নির্মাতা গ্লেন উইলিয়ামস এ প্রশ্নটির গ্রহণযোগ্য একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর দাবি, অ্যান্ড্রয়েডে ব্যবহৃত জাভা ও অ্যান্ড্রয়েড প্রসেসিংয়ের সময় জঞ্জাল সংগ্রহ করে বলেই বেশি র‌্যাম লাগে।
র‌্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি, সংক্ষেপে র‌্যাম হলো একধরনের কম্পিউটারের উপাত্ত (ডেটা) সংরক্ষণের মাধ্যম। র‌্যাম থেকে যেকোনো ক্রমে উপাত্ত অ্যাক্সেস করা যায়, এ কারণেই একে র‌্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি বলা হয়।
প্রশ্নোত্তর-বিষয়ক ওয়েবসাইট কোরাতে আইফোনের তুলনায় অ্যান্ড্রয়েডে বেশি র‌্যাম লাগে কেন, এ প্রশ্নটির ব্যাখ্যা দিয়েছেন গ্লেন। তাঁর মতে, অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা ও এই অপারেটিং সিস্টেমটির মেমোরি রিসাইকেল করার প্রক্রিয়া হিসেবে জঞ্জাল সংগ্রহ করে থাকে। যখন মেমোরি বেশি খালি থাকে, তখন এই সিস্টেমটি ভালো কাজ করে কিন্তু মেমোরি যখন সীমিত থাকে, তখন অ্যান্ড্রয়েডের পারফরম্যান্স খারাপ হয়।
একটি ডায়াগ্রামের মাধ্যমে কোরাতে গ্লেন দেখিয়েছেন, অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সর্বোচ্চ সক্ষমতা পেতে চার থেকে আট গুণ বেশি মেমোরি থাকা দরকার। এ কারণেই আইওএসের তুলনায় অ্যান্ড্রয়েডে বেশি পরিমাণ র‌্যাম দরকার হয়। 
স্মার্টফোনের কত র‍্যাম হলে ভালো? 
ফোনে বেশি মেমোরি মানে বেশি চার্জ খরচ। বিশ্লেষকেরা বলেন, বেশি ভালো ভালো নয়, আবার খুব কমও ভালো নয়। স্মার্টফোনে খুব বেশি র‍্যাম মানে বাড়াবাড়ি, আবার একেবারে কম র‍্যাম হওয়া ঠিক নয়। র‍্যাম কম হলে ফোন হ্যাং হওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে। আবার বেশি হলে চার্জ দ্রুত শেষ হয়। উদাহরণ হিসেবে ওয়ানপ্লাসের কথা বলা যায়। ওয়ানপ্লাস ৩ স্মার্টফোনে ৬ জিবি র‍্যাম যুক্ত করেও গ্যালাক্সি এস ৭ ও আইফোন ৬এসের সঙ্গে পেরে উঠছে না।
র‍্যাম কত হলে ফোন কেনা উচিত?
স্মার্টফোন কতটা দ্রুতগতির, তা বিবেচনা করতে গেলে র‍্যাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। র‍্যাম কম মানে ফোন ধীরগতির। র‍্যাম হচ্ছে এমন একটি চিপ, যা স্মার্টফোনের সক্রিয় অ্যাপগুলোকে সংরক্ষণ করে রাখে। যত বেশি র‍্যাম, তত বেশি অ্যাপ স্বাচ্ছন্দ্যে চলবে। 
আধুনিক সব স্মার্টফোনেই ১ জিবি থেকে ৪ জিবি পর্যন্ত র‍্যামের ব্যবহার দেখা যায়। তবে ফ্ল্যাগশিপ বেশ কিছু ফোনে ৬ জিবি র‍্যামের ব্যবহারও হচ্ছে। অনেক ফোনেই ৫১২ মেগাবাইট র‍্যাম আছে। এগুলো সাধারণ পুরোনো ও সস্তা চীনা ফোন। এত কম র‍্যাম থাকলে আধুনিক অনেক অ্যাপ বা গেম চালু হবে না। পুরোনো সংস্করণের অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ৫১২ এমবি র‍্যাম দেখা যায়। ১ জিবি র‍্যাম থাকলে অধিকাংশ অ্যাপ চালু করা যায়। তবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য র‍্যাম ১ জিবির বেশি হলে সুবিধা বেশি। গুগল ক্রোমে একাধিক ট্যাব চালাতে গেলে ১ জিবি র‍্যামে সমস্যা হয়। প্রতিদিন যাঁরা দরকারি কাজে ফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের ১ জিবির বেশি র‍্যামের ফোন হলে ভালো।
বিশেষজ্ঞরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ জিবি ফোনের পক্ষে মত দেন। অ্যাপ চালু রাখতে, গেম খেলতে ও অ্যান্ড্রয়েড হালনাগাদ পেতে ২ জিবি র‍্যাম থাকলে ভালো। তবে একসঙ্গে বেশি অ্যাপ চালু করতে গেলে ২ জিবি র‍্যামেও অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। যদি দুই-তিন বছরের মধ্যে ফোন পরিবর্তনের ইচ্ছা না থাকে, তবে ২ জিবি র‍্যামের ফোন কেনা যায়।
যদি গেম খেলতে ও অনেক অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়, তবে ৩ জিবি র‍্যামের ফোনের পারফরম্যান্স ভালো পাওয়া যায়। বাজারে ৩ জিবি র‍্যামের অনেক ফোন সাশ্রয়ী দামেই পাওয়া যায়। ৪ জিবি থেকে ৬ জিবি র‍্যামের ফোনগুলো ফ্ল্যাগশিপ ফোন বলে বাজারে চালানো হয়। গ্যালাক্সি এস ৭ এজ, এলজি জি ৫-এর মতো মডেলগুলোতে ৪ জিবি র‍্যাম আছে। বেশি র‍্যামের ফোনগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। তবে বেশি র‍্যাম হলে ফোনের পারফরম্যান্স ভালো হয়। মাল্টিটাস্কিং যাঁরা করেন, তাঁরা বেশি র‍্যামের ফোনের দিকে ঝুঁকতে পারেন। ৬ জিবি বা ৮ জিবি র‍্যামের ফোন কি বাড়াবাড়ি নয়? যদি বাড়তি এই র‍্যামের জন্য বাড়তি খরচ না পড়ে, তবে বেশি র‍্যাম একটু বেশিই ভালো!

অ্যালার্জি কাদের বেশি হয়?

অ্যালার্জি একটি প্রচলিত সমস্যা। বিভিন্ন কারণে অ্যালার্জি হয়। এই সমস্যা কাদের বেশি হয় এবং এর চিকিৎসা কী, সেটা নিয়ে কথা বলেছেন বিশিষ্ট অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের অ্যালার্জি অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ইমিউনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ্চন্দ্র দাস। এনটিভির স্বাস্থ্য প্রতিদিনের ২১৯৪তম পর্বে এ অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়।

প্রশ্ন : অ্যালার্জি ব্যাপক একটি বিষয়। তবে মূলত অ্যালার্জি বলতে আমরা ত্বকের অ্যালার্জিকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি। একজন মানুষের ত্বকে অ্যালার্জি হয় কেন?
উত্তর : ত্বকে যেই অ্যালার্জি হয় একে সাধারণত বলি আর্টিকেরিয়া। শরীর চাক চাক হয়ে যায়, লাল হয়ে যায়। আবার অনেক সময় ছোট বাচ্চাদের হয়, লাল হয়ে যায়, চুলকায়- একে বলে এটোপিক ডার্মাটাইটিস। বড়দের অনেক সময় হয় কনট্রাক্ট ডার্মাটাইটিস। কোনো কোনো স্পর্শে অ্যালার্জি হয়- এগুলো হয় ত্বকে। নাকের মধ্যে যে অ্যালার্জি হয় নাক চুলকায়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, হাঁচি হয়, অনবরত হাঁচি, একে বলা হয়, অ্যালার্জি রাইনাইটিস।
আর ফুসফুসের মধ্যে যখন অ্যালার্জি হয়, শ্বাসকষ্ট হয়, কাশি হয়, রাতে ঘুমাতে পারে না। এই সবইঅ্যালার্জির বিভিন্ন রকম প্রকাশ।
প্রশ্ন : এই অ্যালার্জির কারণ কী? এটি হয় কেন?
উত্তর : আপনি ঠিকই বলেছেন, একটি পরিবারে হয়তো পাঁচটি ভাই আছে। একজন বা দুজনের অ্যালার্জি হবে আর তিনজনের হবে না। সাধারণত যাদের রক্তে আইজিইর পরিমাণ বেশি, তাদের সাধারণত অ্যালার্জি হয়।
কতগুলো সাবসট্যান্স থাকে যেগুলো অ্যালার্জির জন্য সহায়ক। সবচেয়ে বেশি অ্যালার্জির জন্য সহায়ক হলো ধুলাবালি, বাড়ি ঘরের বিছানাপত্র। এসবের মধ্যে এক ধরনের পোকা থাকে। এই ধরনের পোকা একটি তোশকের মধ্যে প্রায় ২০ লাখের বেশি থাকে। একে হাউজ ডাস্ট মাইট বলে। তা ছাড়া ফুলের রেণু, ফাঙ্গাস, কোনো খাদ্য, পশু পাখির লোম- এগুলো থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে। তবে একেকজনের একেকটি বিষয় থেকে অ্যালার্জি হতে পারে।
প্রশ্ন : তাহলে এই অ্যালার্জি থেকে বাঁচার উপায় কী?
উত্তর : আমাদের লেপ তোশক ব্যবহার করতেই হয়। আমি সবাইকে বলি, যে তোশকে আমরা ঘুমাই এগুলো মাঝে মাঝে রোদ্রে দেওয়া উচিত। বিশেষত বিছানার চাদরটি প্রতিদিন তো ধোয়া সম্ভব নয়, একে প্রতিদিন রোদে শুকাতে দেওয়া উচিত। আর বিদেশে বা বাংলাদেশেও এখন মাইটরোধী কাভার পাওয়া যায়। এই কভারগুলো যদি আমরা তোশকের ওপর দেই বা বালিশের ওপর দেই ভেতর থেকে মাইটটা আসবে না। এতে আমাদের কষ্ট অনেকটা লাঘব হবে।
আসলে সবারই একটি অ্যালার্জি পরীক্ষা করানো উচিত। কার কিসে অ্যালার্জি। কারো মাইটে অ্যালার্জি হয়, কারো ফাঙ্গাল অ্যালার্জি হয়। আমাদের একটি সাধারণ ধারণা অ্যাজমা হয়েছে, গরুর মাংস, চিংড়ি , বোয়াল মাছ, গজার মাছ সব খাওয়া বাদ দিতে হবে। তবে এগুলো ঠিক নয়।  আমার ২০ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি শতকরা ৯৮ শতাংশ রোগীরই গরুর মাংসে অ্যালার্জি হয় না। গরুর মাংস খেলেও যা, না খেলেও তা। তাই অ্যাজমা হয়েছে দেখে গরুর মাংস, চিংড়ি খাওয়া যাবে না, সেটি ঠিক নয়। প্রথমে একটি অ্যালার্জির পরীক্ষা করতে হবে। অ্যালার্জি পরীক্ষা করে যে এলার্জেন পাওয়া যায় সেটিকে শুধু এড়িয়ে যেতে হবে।

প্রশ্ন : অ্যালার্জির কোনো চিকিৎসা আছে কি? ধরুন আমি পরিমিত খাব, তবে সবই খেতে চাই। আবার অ্যালার্জি মুক্তও থাকতে চাই। এটি সম্ভব কি না?
উত্তর : এটি সম্ভব। অ্যালার্জির টেস্ট দুইভাগে করা হয়। হাতের মধ্যে বিভিন্ন এলার্জেন  দিয়ে  পিক পিক করে টেস্ট করি। টেস্ট করার পর ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর আমরা বলে দিতে পারি তার কিসে কিসে অ্যালার্জি।
তা ছাড়া স্পেসিফিক আইজি বলে একটি বিষয় আছে। শরীর থেকে রক্ত নিয়ে মেশিনের মধ্যে দিয়ে দেখি কিসে অ্যালার্জি আছে। এটা সাধারণত আমরা বাচ্চাদের ক্ষেত্রে করি। তার পিক নিতে ভয় পায় দেখে সাধারণত করে থাকি।
অ্যালার্জি টেস্ট করার পর উৎসটাকে যদি বাদ দিয়ে দেই, তাহলে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম থাকে।
অ্যান্টি আইজি ওমালিজমাফ একটি ইনজেকশন আছে, সেখানেও আইজিকে কমানো যায়। এই দুটো করা হলে আইজির পরিমাণ কমবে। অ্যালার্জির পরিমাণ কমবে।
আর যে প্রদাহগুলো হবে সেগুলোতে স্টেরয়েড, মন্টিলুকাস, অ্যান্টি হিসটামিন- এগুলো ওষুধ দিয়ে ঠিক করা যায়। (যে কোনো ওষুধ ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।) আর অ্যাজমার অন্যতম একটি  কারণ মানসিক চাপ। এদের যতই্ ওষুধ দেওয়া হয় কোনো কাজ হবে না, যদি মানসিক চাপ কমানো না হয়। এজন্য আমাদের দরকার যোগব্যায়াম, প্রাণায়েম, মেডিটেশন, শিথিল হওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি। এগুলো করলে এই ধরনের অ্যালার্জি জনিত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। দীর্ঘমেয়াদি ভালো থাকা সম্ভব।
প্রশ্ন : অ্যালার্জির জন্য যেই পরীক্ষা করা দরকার এগুলো কী বাংলাদেশে সম্ভব?
উত্তর : সব পরীক্ষাই বাংলাদেশে সম্ভব। অনেকের ধারণা বাংলাদেশে অ্যালার্জির কোনো চিকিৎসা নেই। সব চিকিৎসা বিদেশে রয়েছে। জানা দরকার, অ্যালার্জির কেন হচ্ছে সেটি নির্ণয় করে চিকিৎসা নিলে ভালো থাকা সম্ভব। আর সব ধরনের পরীক্ষা এবং চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই আছে। এজন্য বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
প্রশ্ন : অ্যালার্জির সঙ্গে তাপমাত্রার সম্পর্ক কী? কারো দেখা যায়, ঠান্ডা বা গরমে অ্যালার্জি হচ্ছে, কারো বৃষ্টির পানিতে ভিজলে অ্যালার্জি হচ্ছে। এই বিষয়টি কী?
উত্তর : ঠান্ডা-গরম হলে নাকের রিসেপটরগুলো ঠিক মতো গ্রহণ করতে পারে না। তখন নার্ভাস পদ্ধতির হরমোনের ভারসাম্য কমে গিয়ে এই সমস্যা হয়।
প্রশ্ন : অ্যালার্জি প্রতিরোধের উপায় কী? বিশেষ করে ভ্যাকসিন বা টিকার কোনো ভূমিকা আছে কি না?
উত্তর : অবশ্যই ভূমিকা আছে। আমি আগেই বলেছি, এর যদি সঠিক চিকিৎসা নেওয়া হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদী ভালো থাকা যায়। রোগী এলে আমরা সাধারণত ইনহেলার বা একটি ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেই। এটা করলে হবে না। প্রথম হলো যেই কারণে অ্যালার্জি হচ্ছে সেই ট্রিগার নির্ণয় করে সেটি পরিহার করতে হবে। ট্রিগার যদি পাওয়া যায় তাহলে আমাদের কষ্ট কম হবে। অ্যালার্জির ভ্যাকসিনও এখন বাংলাদেশে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে এটি আছে, চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং রোগীও ভালো হচ্ছে।
অ্যালার্জি ভ্যাকসিনের কাজ হলো আমাদের শরীরে যে আইজিই বেশি থাকে, তার সমস্যা হয়। আইজিইকে যে আইজিজিতে রূপান্তর করে সেটাকে বলা হয় অ্যালার্জি ভ্যাকসিন। এখন অল্প মাত্রা থেকে আস্তে আস্তে একটি মাঝামাঝি ডোজে শরীরে দেওয়া হয়। দুইভাবে করা হয়, ইনজেকশনের মাধ্যমে এবং জিহ্বার নিচে দিয়ে। এর কাজ হলো আইজিইটাকে আইজিজিতে পরিণত করে। তখন আর কষ্ট হয় না।
প্রশ্ন : ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে কী কোনো পরীক্ষা করতে হয়?
উত্তর : এক্ষেত্রে অ্যালার্জি টেস্ট বা আইজিই পরীক্ষা করে নিতে হয়। সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সে এটি শুরু করা যায়।
আপনি আরেকটি বিষয় দেখবেন আমাদের অনেকেরই হাঁচি হয়। দীর্ঘদিন সমস্যাটি থাকে। আমরা একে কোনো গুরুত্ব দেই না। হাঁচির পর অ্যাজমা হওয়ার আশঙ্কা ৯০ ভাগ। এই হাঁচির চিকিৎসা করতে হবে। তাহলে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যাবে।
প্রশ্ন : অ্যালার্জি ভ্যাকসিন কি জীবনের যেকোনো সময় নেওয়া যায়?
উত্তর : অ্যালার্জি পরীক্ষা করার পর যার যে কারণে সমস্যাটি হয়, সেই কারণে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। রোগী চিকিৎসকের কাছে এলে পরীক্ষা করে ট্রিগারটি নির্ণয় করলে চিকিৎসা শুরু করা হয়। এটি সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি দিনও দেওয়া হয়। দিলে আইজিইর মাত্রা কমে গেলে সারা জীবনের জন্য সে সুস্থ থাকবে। 

চাল ধোওয়া পানি অথবা মাড় ফেলবেন না, অবিশ্বাস্য কাজের


একবার ভাত হয়ে গেলেফ্যান বা মাড়টা কি কখনও রেখে দিয়েছেনসুতির জামা-কাপড়ে মাড় দেওয়ার প্রয়োজনেমাঝেমধ্যে কেউ ভাতের ফ্যান রেখে দিলেওসাধারণত অপ্রয়োজনীয় ধরে নিয়ে ফেলেই দেন। কিন্তুজানেন কি ভাতের ফ্যান বা চাল ধোওয়া পানিে রয়েছে 'বিউটি সিক্রেট'? নানা ভিটামিন  মিনারেলে পরিপূর্ণ। শুধু ত্বক নয়চুলের জন্যও যা উপকারী
চুল ভালো রাখে : চুলে শ্যাম্পু করার পর ভাতের ফ্যান দিয়ে মাথাটা ভালো করে ঘষে নিন। কয়েক মিনিট  অবস্থায় রেখে দিয়েপানিে ভালো করে চুল ধুয়ে নিন। কিছুদিনের মধ্যেই চুল হয়ে উঠবে মসৃণঝলমলে। যাদের চুলের আগা ফেটে যাচ্ছেতারাও উপকৃত হবেন
ত্বকে জৌলুস আনে : যাঁদের ত্বক ঔজ্জ্বল্য হারাচ্ছেতারাও মুখে ভাতের ফ্যান মাখতে পারেন। প্রথমে উষ্ণ গরম পানিে মুখে ধুয়ে নিন। তারপর তুলোয় করে সারা মুখে ভাতের ফ্যান মাখুন। কিছুক্ষণ রেখেমুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের জৌলুস ফেরার পাশাপাশি ত্বক টানটানও হবে। তাই মুখের বলিরেখা ঠেকাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন
ত্বকের জ্বালা  প্রদাহের চিকিৎসায় : কিছুটা চাল টগবগ করে ফুটিয়ে নিয়ে সেই পানিটা একটা পাত্রে রেখে দিন। গায়ে বা শরীরের কোথাও ্যাশ বেরোলেঅন্তত ১৫ মিনিট চুবিয়ে রাখুন। ফল পাবেন
একজিমারও ওষুধ চালের পানি : যেখানে একজিমা হয়েছেচালের পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। যত দিন না সম্পূর্ণ সারছেলাগিয়ে যেতে হবে
ডায়েরিয়ার ওষুধ : ডায়েরিয়ায় ভুগলে এক গ্লাস ভাতের ফ্যানে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেয়ে নিন। চটপট পেট ঠিক হয়ে যাবে
ভাতের ফ্যানে রয়েছে ৮টি জরুরি অ্যামাইনো এসিড। পেশি পুনর্গঠনে সাহায্য করে। এতে থাকা কার্বোহাইড্রেট এনার্জির জোগান দেয়। ফলেএরপর ভাতের ফ্যান ফেলে না দিয়েকাজে লাগান। ফ্যান মাখতে অস্বস্তি বোধ করলেকিছুটা চাল ধুয়ে অল্প ফুটিয়েসেই পানি ফ্রিজে ঠাণ্ডা করেও মাখতে পারেন। সমান উপকারী

কিভাবে খুশকি ও ব্রণ দূর করবেন?

বসন্ত বা পক্স হলে দেহে জ্বালাপোড়া কমাতে প্রাচীনকাল থেকেই নিমপাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। নিম বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যায় ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া নিমের রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। বোল্ডস্কাই জানিয়েছে নিমের কিছু স্বাস্থ্যগুণের কথা।

১. খুশকি দূর করতে
নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ফাংগাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা খুশকি রোধে খুব উপকারী। খুশকি রোধে গোসলের পানির মধ্যে কিছু নিমপাতা মিশিয়ে মাথায় ঢালুন।
২. চুলকানি দূর করতে
যে জায়গায় চুলকানি হচ্ছে সেখানে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। এটা ত্বককে নিরাময় হতে সাহায্য করবে এবং ত্বকের ওপর মৃত চামড়া দূর করবে।
৩. ব্রণ দূর করতে
নিমপাতার গুঁড়ো পানিতে মিশিয়ে মুখ ধুতে পারেন। এতে ব্রণ দূর হবে এবং ব্রণ থেকে তৈরি জ্বালাপোড়া ভাবও দূর হবে। এটা ব্রণ দূর করার একটি কার্যকর পদ্ধতি।
৪. ক্ষত নিরাময়ে
হয়তো চিন্তা করছেন নিম কীভাবে ক্ষত দূর করবে? হ্যাঁ, নিমপাতা ক্ষত নিরাময়েও বেশ উপকারী। নিমপাতা বেটে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে রাখতে পারেন। এর অ্যান্টিমাক্রোবাইয়াল উপাদান ক্ষত নিরাময়ে দ্রুত কাজ করবে।
৫. একজিমা
একজিমা, ফোড়া অথবা বিভিন্ন ধরনের ত্বকের সমস্যা নিরাময়ে নিম খুব কার্যকর। ত্বকের যেসব জায়গায় এ ধরনের সমস্যা রয়েছে সেখানে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন।  
৬. ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে
ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে নিমের তেল ভালো কাজ করে। ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রেখে ত্বককে তারুণ্যদীপ্ত রাখতে নিমের তেল ব্যবহার করতে পারেন।

কলার গুণাগুন ও সকালের খাবার

স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে আসলে কলার উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। কলা খেতে যারা ভালোবাসেন তাদের জন্য তো কোনো কথাই নেই। তবে যারা কলা খেতে পছন্দ করেন না তারাও একটু জেনে নিতে পারেন এর উপকারের কথা। আর হয় তো উপকারগুলো জানার পর খাওয়ার আগ্রহ বেড়ে যেতে পারে আপনার।  
ক্যালা
কলার মধ্যে রয়েছে চিনি, আঁশ, ভিটামিন বি ৬, পটাশিয়াম। চলুন জানি, কেন বেশি কলা খাওয়া প্রয়োজন। জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।
  • কলা দ্রুত শক্তি বাড়ায়। ব্যায়ামের পরপর কলা খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে দ্রুত শক্তি পাবেন।
  • আপনার কি পেশি টানের সমস্যা হয়? তাহলে কলা খেতে পারেন। এটি পেশি ব্যথা বা টানের সমস্যা কমাতে খুব কাজ করে। এর মধ্যে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের জন্য এটি পেশির জন্য ভালো কাজ করে।
  • শরীরে পানির ভারসাম্য ঠিক করতে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে কলা বেশ ভালো। এটি পাকস্থলীর এসিড ও আলসার প্রতিরোধ করে।
  • এটি মাইয়োকারডিয়াল ইনফেকশন ও স্ট্রোক প্রতিরোধে কাজ করে।
  • ডায়রিয়া রোধে কলা খুব উপকারী। ডায়ারিয়া হলে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায়। কলা অন্ত্রের সমস্যা রোধ করে ডায়রিয়া কমাতে কাজ করে।
  • কলার মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম। এটি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কাজ করে।
  • এর মধ্যে রয়েছে আঁশ। তাই এটি বাউয়েল মুভমেন্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা কমাতে কাজ করে।


সকালের নাস্তায় কী খাবেন?

    কলা
    সকালের নাশতায় কলা একটি অত্যন্ত চমৎকার খাবার। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট। এটি অনেকক্ষণ পেট ভরা অনুভূতি দেয়। এর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম, ইলেকট্রোলাইট। এটি উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এটি খুব ভালো খাবার। এ ছাড়া এর মধ্যে রয়েছে আয়রন। এটি রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা আঁশ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
    দই
    গবেষণায় বলা হয়, দই ওজন কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি৫, জিংক, আয়োডিন, রিবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি১২। দই রক্তে লোহিত কণিকা ভালো রাখে। এর মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান ইনফেকশনের সঙ্গে লড়াই করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলন ক্যানসার এবং পেটের সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে।
    চিনাবাদামের মাখন
    সকালের শীর্ষ পাঁচ খাবারের মধ্যে চিনাবাদামের মাখন অন্যতম। টোস্টে দুই চা চামচ পিনাট বাটার যোগ করলে শরীরে বাড়তি শক্তি জোগায়। এটি সাত গ্রাম প্রোটিন এবং দুই গ্রাম আঁশের জোগান দেয়।
    ডিম
    ডিম দেহের ভিটামিন ও মিনারেলের প্রতিদিনের চাহিদা অনেকটাই পূরণ হয়। এটি শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। ডিমের মধ্যে রয়েছে লুটেইন এবং জিয়াক্স এনথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এগুলো চোখের ছানি প্রতিরোধে সাহায্য করে। ডিমের প্রোটিন দেহের পেশিকে ভালো রাখে।